LATEST
Thursday, August 27, 2026
Weather: Requesting coordinates...

Dhallo News

world

বিনিয়োগ বাড়াতে প্রতিষ্ঠান বদলানো নয়, সমস্যার সমাধান করতে হবে

বিনিয়োগ বাড়াতে প্রতিষ্ঠান বদলানো নয়, সমস্যার সমাধান করতে হবে
Source: Jago News 24

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নিয়মনীতি ও বিধিবিধানের সংস্কার-আধুনিকায়ন জরুরি। প্রয়োজনে বিনিয়োগসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান একীভূত করে কাঠামোগত পরিবর্তন আনা যেতে পারে। পাশাপাশি জমি, ইউটিলিটি, কাস্টমস, অর্থ লেনদেন, শ্রমিক, পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স ও সার্টিফিকেশনেও সংস্কার প্রয়োজন। জাগো নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বিশেষ সংবাদদাতা ইব্রাহীম হুসাইন অভি। সম্প্রতি বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে একীভূত করে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ গঠন করা হয়েছে। বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন? মূলত তিনটি প্রতিষ্ঠান- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ একীভূত করে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে আলাদাভাবে সেবা নেওয়ার যে ‘মাল্টি-স্টপ’ ব্যবস্থা আছে, সেটি কমিয়ে আনা। অর্থাৎ, বিনিয়োগকারীদের যেসব কাজ আগে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে করতে হতো, সেগুলো এক জায়গায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে প্রশ্ন হলো, শুধু প্রতিষ্ঠান একীভূত করলেই কি বাংলাদেশে এফডিআই বা বিনিয়োগ আসবে? আমার উত্তর- না। আরও পড়ুন বিডা, বেজা ও পিপিপিএ একীভূত হয়ে গঠিত হতে যাচ্ছে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ কারণ একজন বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে গেলে শুধু নিবন্ধন বা অনুমোদনের বিষয়টিই দেখে না। বিনিয়োগের পথে আরও অনেক বাধা রয়েছে। যেমন কাস্টমসের প্রক্রিয়া, অর্থ বা তহবিল আনা-নেওয়ার নিয়ম, শ্রমিক সংগ্রহ, জমি পাওয়া, ইউটিলিটি সার্ভিস, রেডি-টু-ইনভেস্ট জমি, পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স এবং বিভিন্ন সার্টিফিকেশনের ব্যবস্থা। ব্যবসা শুরু করা ও চালু রাখার জন্য এসব প্রক্রিয়ার সঙ্গে বিনিয়োগকারীকে যুক্ত হতে হয়। এই জায়গাগুলোতে সংস্কার না হলে এবং এসব সেবা নিতে একজন বিনিয়োগকারীকে যদি ৫০টি জায়গায় যেতে হয়, তাহলে শুধু তিনটি প্রতিষ্ঠানকে এক জায়গায় এনে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব হবে না। এসব সেবা একটি নির্দিষ্ট জায়গায় আনতে হবে এবং ডিজিটালাইজ করতে হবে। তাহলে বিডা, বেজা ও পিপিপি কর্তৃপক্ষকে একীভূত করে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ করা কি যথেষ্ট পদক্ষেপ নয়? এটা হয়তো একটি পদক্ষেপ। কিন্তু এটি মূলত সাংগঠনিক পুনর্গঠন। প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করা হচ্ছে। অথচ প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল কাজ হলো সংস্কার বাস্তবায়ন করে বিনিয়োগকারীদের সেবা দেওয়া। আরও পড়ুন এক ছাতার নিচে বিনিয়োগসেবা, বিলুপ্ত বিডা-বেজা-পিপিপিএ আমাদের আগের অভিজ্ঞতাও বলে, শুধু প্রতিষ্ঠান বা অর্গানোগ্রাম পরিবর্তন করে যদি আগের মতোই সবকিছু চলতে থাকে, তাহলে ফলাফল আসে না। এখানে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে এক করা হচ্ছে, কিন্তু বিনিয়োগের পথে যে সব অন্য বাধা রয়েছে, সেগুলো তো থেকেই যাচ্ছে। আপনি কি মনে করেন, শুধু আইনি বা সাংগঠনিক পরিবর্তন করলেই একীভূত প্রতিষ্ঠান কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে না? অবশ্যই পারবে না, যদি সাংগঠনিক পরিবর্তনের সঙ্গে কালচারাল চেঞ্জ না আসে। কাগজে-কলমে ঘোষণা দিয়ে বলা হলো- তিনটি প্রতিষ্ঠান এখন ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’-এর অধীনে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বেজার কর্মী, বিডার কর্মী ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের কর্মীরা কি এখন সত্যিই একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে একই লাইন অব কমান্ডের অধীনে কাজ করছেন? একীভূতকরণ শুধু ঘোষণা দিয়ে হয় না। এটা অনেকটা শরীরের বাইরে থেকে একটি নতুন হার্ট এনে লাগানোর মতো। সেটি শরীরের সঙ্গে ঠিকমতো ফিট করছে কি না, রক্ত চলাচল ঠিকভাবে হচ্ছে কি না, সেটিও দেখতে হবে। শরীর অনেক সময় বাইরের কোনো অঙ্গ প্রত্যাখ্যানও করতে পারে। এখানে একই ধরনের সাংগঠনিক ও সাংস্কৃতিক সমস্যার ঝুঁকি রয়েছে। এখানে কালচারাল চেঞ্জ খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখন শুধু লেজিসলেটিভ চেঞ্জ করলেই হবে না। নতুন অর্গানোগ্রাম কী, আগে যারা উচ্চ পদে ছিলেন তারা এখন কোন পদে আছেন, তাদের লাইন অব রিপোর্টিং কী, ইনসেনটিভ সিস্টেম কীভাবে পরিবর্তন হয়েছে- এসব প্রশ্নের উত্তর থাকতে হবে। অর্গানাইজেশনাল রি-অর্গানাইজেশন রাতারাতি হয় না। এখন ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’র ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী হওয়া উচিত? এখন যেহেতু একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এই তিনটি প্রতিষ্ঠান বাস্তবে একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে কি না, সেটি নিশ্চিত করা। আরও পড়ুন ১৪ দিনেই ব্যবসার লাইসেন্স, আরও যেসব চমক আনছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের কাজের ম্যান্ডেট কী, তারা কি একটি টিম হিসেবে কাজ করছে, তাদের কি একটি ম্যান্ডেট এবং একটি লাইন অব কমান্ড রয়েছে- এসব নিশ্চিত করতে হবে। নতুন অর্গানোগ্রাম, নিয়োগ, জব ডেসক্রিপশন, পারফরম্যান্স এগ্রিমেন্ট ও কেপিআই- সবকিছু নতুনভাবে ঠিক করতে হবে। বিশেষ করে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’র কেপিআই কী হবে, তার অধীনে কোন বিভাগ কী কাজ করবে, নতুন সাংগঠনিক কাঠামোয় বেজার কর্মীরা কোথায় কাজ করবেন, পিপিপির কর্মীরা কী করবেন ও বিডার কর্মীরা কী করবেন- এসব স্পষ্ট হতে হবে। এগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত দ্বন্দ্ব বা কনফ্লিক্টগুলোও সমাধান করতে হবে। তিন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা যদি তিন জায়গায় বসে আলাদাভাবে কাজ করেন, তাহলে একীভূত প্রতিষ্ঠান কীভাবে কাজ করবে? এসব বিষয় সমাধান না হলে কী ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে? তাহলে একটি প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই একাধিক ‘এম্পায়ার’ তৈরি হতে পারে। আমাদের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উদাহরণ দেওয়া যায়। সেখানে ভ্যাট একটি এম্পায়ার, ইনকাম ট্যাক্স আরেকটি এম্পায়ার, কাস্টমস আরেকটি এম্পায়ার- এ ধরনের আলাদা আলাদা সংস্কৃতি ও ক্ষমতার বলয় তৈরি হয়েছে। আরও পড়ুন ৮ মাসে ৯৫ কারখানা বন্ধ, কর্মসংস্থান হারিয়েছে ৬২ হাজার: সিপিডি একই ঘটনা ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’-এর মধ্যেও ঘটতে পারে। কেউ বলবে, ‘আমি বিডার লোক, আমি আমার কাজ করি।’ অন্য কেউ বলবে, ‘আমি বেজার লোক, আমার কাজ আলাদা।’ তখন আসলে একীভূতকরণটি কার্যকর হবে না। শুধু ইঞ্জিনিয়ারিং করলেই হবে না, বায়োলজিটাও ঠিক করতে হবে। তাহলে আপনার মতে, বাংলাদেশের বিনিয়োগ খাতে এতদিন ধরে মূল সমস্যা কী ছিল? আমি বিষয়টিকে ঐতিহাসিকভাবে দেখার চেষ্টা করছি। বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট গঠিত হয়েছিল ১৯৮৯ সালের দিকে। প্রায় চার দশক পর সেটি বিডায় এসেছে। এখন ২০২৬ সালে এসে আবার ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ করা হচ্ছে। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে আমরা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কী পরিবর্তন দেখতে পেয়েছি? আমরা মূলত সংগঠনের পরিবর্তনই দেখছি। বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট থেকে বিডা, বিডা থেকে এখন ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’- অর্থাৎ বারবার সাংগঠনিক পুনর্গঠন হচ্ছে। কিন্তু বিনিয়োগের মূল সমস্যা কি বদলাচ্ছে? আমার প্রশ্নটা সেখানেই। হ্যাঁ, তবে এখানে ‘প্রতিষ্ঠান’ শব্দটি নিয়েও একটু ব্যাখ্যা দরকার। বিডা থেকে বেজা, বিডা থেকে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’—এসব আসলে সাংগঠনিক পরিবর্তন। এগুলো মূলত প্রতিষ্ঠান বা কাঠামোর পুনর্গঠন। আরও পড়ুন চীনা বিনিয়োগে বড় বাধা ‘কোয়াড’ কিন্তু সাংগঠনিক পরিবর্তন যদি এমনভাবে করা যায়, যার মাধ্যমে নিয়মনীতি ও প্রক্রিয়াগুলো বিনিয়োগবান্ধব হয় এবং গ্রাউন্ড লেভেলে বাস্তব পরিবর্তন আসে, তাহলে অবশ্যই এর সুফল পাওয়া যাবে। সুতরাং, শুধু নাম পরিবর্তন বা প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন নয়, সেই পরিবর্তনের মাধ্যমে বিনিয়োগের পরিবেশ কতটা বদলানো যাচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পরামর্শ কী? আমার পরামর্শ হলো, এখন যেহেতু একীভূতকরণ হয়ে গেছে, এটিকে কার্যকর করার দিকে পুরো মনোযোগ দিতে হবে। আমরা আগে চার থেকে ছয়টি ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চিহ্নিত করেছিলাম। সেগুলো আরও কার্যকর করা যেত। নতুন নতুন সাংগঠনিক পথে না হেঁটে বিদ্যমান সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বারবার সাংগঠনিক পথে হাঁটছি, সংগঠন পুনর্গঠন করছি, আবার সেই সংগঠনের নাম বদলাচ্ছি। এই পর্যায় থেকে আমাদের বের হতে হবে। আমার মূল বক্তব্য হলো, এই একীভূতকরণ নিজে কোনো ‘প্রায়োরিটি রিফর্ম’ নয়। এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হলো বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদ্যমান সেবাগুলো কার্যকর করা। আরও পড়ুন বিনিয়োগ সম্মেলন বদলে দিতে পারে বিদেশিদের দৃষ্টিভঙ্গি বিডা অনেকদিন ধরে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস হিসেবে কাজ করছে। প্রায় ১৫০টি সেবা একীভূত করার জন্য তারা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিল। আমার প্রশ্ন হলো—সেই কাজগুলো কেন পুরোপুরি শেষ করা হচ্ছে না? আগে সেই কাজগুলো শেষ করা উচিত ছিল। এরপর প্রয়োজন হলে প্রতিষ্ঠানগুলো একীভূত করা যেত। তবে এখন যেহেতু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে, আর পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। এখন নিশ্চিত করতে হবে, ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’র অধীনে বিডা, বেজা ও পিপিপি অর্গানিক্যালি একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে কি না। অর্থাৎ আপনি বলছেন, এখন সবচেয়ে জরুরি হলো একীভূতকরণকে বাস্তবে কার্যকর করা? ঠিক তাই। শুধু বলা হলো, ‘আমরা এক।’ কিন্তু বাস্তবে তারা কি একটি টিম হিসেবে কাজ করছে? তাদের কি একটি ম্যান্ডেট আছে? একটি লাইন অব কমান্ডের অধীনে তারা কাজ করছে কি না? অর্গানোগ্রাম, নিয়োগ, জব ডেসক্রিপশন, পারফরম্যান্স এগ্রিমেন্ট এবং কেপিআই ঠিক হয়েছে কি না- এসব দেখতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নতুন প্রতিষ্ঠানের নকশা কী এবং সেখানে প্রত্যেকের ভূমিকা কী তা স্পষ্ট করা। কারণ এগুলো ঠিক না করলে শুধু কাগজে-কলমে একটি প্রতিষ্ঠান থাকবে, বাস্তবে থাকবে একাধিক প্রতিষ্ঠান। তাহলে কি বলা যায়, বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য শুধু ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ গঠন যথেষ্ট নয়? অবশ্যই যথেষ্ট নয়। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যে অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে, সেগুলোও সমাধান করতে হবে। জমি, ইউটিলিটি, কাস্টমস, অর্থ আনা-নেওয়া, শ্রমিক, পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স, সার্টিফিকেশন- সব জায়গায় সংস্কার দরকার। এসব সমস্যা একদিনে সমাধান হবে না। কিন্তু বিনিয়োগকারীকে যদি প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা আলাদা জায়গায় যেতে হয়, তাহলে শুধু নতুন একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা যাবে না। তাহলে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ উদ্যোগের সাফল্য কীভাবে মাপা উচিত? নাম পরিবর্তন বা অর্গানোগ্রাম পরিবর্তন দিয়ে সাফল্য মাপা উচিত নয়। কত দ্রুত বিনিয়োগকারী সেবা পাচ্ছেন, কতগুলো সেবা ডিজিটাল হয়েছে, কতটা সময় কমেছে, বিনিয়োগের বাধাগুলো কতটা দূর হয়েছে এবং বাস্তবে কত বিনিয়োগ এসেছে- এসব দিয়ে সাফল্য মাপতে হবে। অর্থাৎ, সংগঠন বদলানোর চেয়ে বিনিয়োগের পরিবেশ বদলানোই আসল বিষয়। আইএইচও/এএসএ/ এমএফএ

Read More from world

Two WA men charged over cybersecurity investigation

The Australian Federal Police charged the men with 14 offences total.......

Read Article »

এবার আপনার ছবি বা আইডিয়া দিয়েই স্টিকার বানিয়ে দেবে চ্যাটজিপিটি

চ্যাটিং হোক কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে স্টিকারের ব্যব...

Read Article »

All-Australian is nice, but flag sounds better for Freo star Treacy

Far from basking in the glow of Fremantle’s record All-Australian haul, star for...

Read Article »
Return to Front Page